কক্সবাজারে বানের পানি নামতে শুরু করায় বসতভিটায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে অনেক এলাকায় এখনো পানি সরেনি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার ৬শ' ৭০টি গ্রামের প্রায় দেড় লক্ষাধিক বসতভিটা। এদিকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ তালিকা তৈরি করে দুর্যোগ পরবর্তী সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকার আন্তরিক বলে জানালেন জেলা প্রশাসক।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার চাকমারকুল গ্রাম। রোববার থেকে বৃষ্টি থেমে যাওয়ায় ডুবে যাওয়া ঘরবাড়ি থেকে বানের পানি নামতে শুরু করেছে। ফিরতে শুরু করেছেন বসতির বাসিন্দারা।

তবে পানি যতোই নেমে যাচ্ছে ততোই ভেসে উঠছে দুর্গত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ দৃশ্য। চেয়ার-টেবিল, খাট থেকে শুরু করে বসতভিটার বেশিরভাগই এখনো পানিতে। নষ্ট হয়ে গেছে বিপুল পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফেরা বানভাসি মানুষেরা।

রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমের আশা, সরকারি বরাদ্দ আসলে বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ কমে আসবে।

তিনি বলেন, 'মানুষ বাড়ি ঘরে যাওয়া শুরু করেছে। ত্রাণ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থাও এগিয়ে আসছে। সরকারিভাবেও যতটুকু সম্ভব আমরা সহযোগিতা করে যাচ্চি। যাতে করে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে পারি।'

এদিকে দুর্যোগ পরবর্তী সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকার আন্তরিক বলে জানালেন কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা।

তিনি বলেন, 'আমরা ক্ষয়ক্ষতির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করবো। তা দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অবহিত করবো।'

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দেয়া তথ্য মতে, কক্সবাজার জেলার ৮ উপজেলায় দুর্গতদের মাঝে ১শ' ৪৫ মেট্রিক টন চাল, ১শ' ৪৫ বস্তা চিড়া ও নগদ ১১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে আরো ৭শ' ৫০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৭৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে।

জেআই