মোবাইল অপারেটর রবি-এয়ারটেলের ব্যবসায়ী কার্যক্রম একীভূত (মার্জার) করার জন্য মোট ৭০০ কোটি টাকা নেওয়ার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এর মধ্যে তরঙ্গ একীভূত করার ফি হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা ও মার্জার ফি হিসেবে ২০০ কোটি টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ সোমবার এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালে ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজ অর্থাৎ টুজি ব্যান্ডে ১৫ মেগাহার্টজ কিনতে এয়ারটেলের খরচ হয় ৫০ লাখ ডলার বা ৩৫০ কোটি টাকা। ১৫ বছরের জন্য বরাদ্দ পাওয়া এ তরঙ্গের জন্য মেগাহার্টজ প্রতি এয়ারটেলের খরচ হয় ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ২০১১ সালে টুজি তরঙ্গের লাইসেন্স নবায়নের সময় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের বাজারমূল্য ছিল ১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি মেগাহার্টজ টুজি তরঙ্গের জন্য রবিকে বেশি দিতে হয় ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

এয়ারটেলের টুজি লাইসেন্সের মেয়াদ আছে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সে হিসাবে এয়ারটেলের টুজি তরঙ্গ এখন রবির সঙ্গে একীভূত করতে হলে ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা হিসেবে ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য একীভূত কোম্পানিকে দিতে হবে ৫৭৩ কোটি টাকা।

এদিকে একীভূতকরণের বিষয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে সরকারকে ১৫ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন আদালত। ব্যবসায়িক কার্যক্রম একীভূত করার জন্য গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিটিআরসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করে রবি-এয়ারটেল।

ইআর