ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্সে নিহত বেড়ে ১০ জনের দাাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো আহত আছে প্রায় ২২ জন।

নিহতরা হলেন, নিশাত বাসের চালক চায়না (৩৫), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বিপুল চন্দ্র (৩৫), আব্দুল আব্দুর রহমান (৪৫), মোস্তফা (৪৫), তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০), বীরগঞ্জ উপজেলার গলিরামের মঙ্গলী রানী (৭০), একই এলাকার মনেস্বরের স্ত্রী জবা (৩৫) ও আব্দুল মজিদ (৩৬), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আনোয়ারা বেগম (৪০) ও কামরুনেছা (৩৮) ।

শুক্রবার সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কের বড় খোঁচাবাড়ি বলাকা উদ্যান এলাকায় ঢাকা থেকে আসা ডিপজল পরিবহনের একটি কোচ ও দিনাজপুরগামী নিশাত পরিবহনের একটি মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ গিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান গণমাধ্যমকে এ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ডিপজল এন্টারপ্রাইজের বাসটি ঢাকা থেকে ছেড়ে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছিল। আর নিশাত পরিবহনের বাসটি ঠাকুরগাঁও থেকে ছেড়ে দিনাজপুর যাচ্ছিল। খোঁচাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বাস দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এ সময় দুই বাসের মধ্যখানে পড়ে যায় একটি মোটরসাইকেল ও একটি যাত্রীবাহী থ্রি হুইলার। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান।

আহতদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান আরও একজন। বাকিরা বংপুর হাসপাতালে মারা যান।

এদিকে দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, সিভিল সার্জন আনোয়ারুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তার ঘোষণা দেয়া হয়।

জেড