কুষ্টিয়ার মিরপুরে এবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন এক স্কুলশিক্ষক স্বামী। রোববার দুপুরে মিরপুরের আমলা প্রেসক্লাবে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এর প্রতিকারও দাবি করেন।

ভূক্তভোগী হাসেম আলী জেলার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়া গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০০৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার আরাপপুর গ্রামের মৃত আমীর আলীর মেয়ে দিলারা আক্তারের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে বিয়ের পর থেকেই অত্যন্ত লোভী ও বদমেজাজী দিলারা সংসারে অশান্তি শুরু করেন। চাকরির সুবাদে মাঝেমধ্যে  তিনি বাড়ির বাইরে থাকায়, তার স্ত্রী উধাও হয়ে যেতেন।

গত বছরের ৬ সেপ্টম্বর তার অনুপস্থিতিতে বাড়ির কাউকে কিছু না বলে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে মা, বোন এবং ওই মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে পালিয়ে যান দিলারা। এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এরপরও একাধিকবার তাকে সংসারে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন বলে জানান হাসেম।

তিনি আরো জানান, এমন অবস্থায় গত ১৫ মে তাকে রেজিস্ট্রি ডাকে লিগ্যাল উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। এতে তিনি বাড়িতে ফিরে না এসে, উল্টো আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের নামে ঝিনাইদহে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মিথ্যে মামলা করেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গত ৬ আগষ্ট ইসলামী শরিয়া মোতাবেক তাকে তালাক দেওয়া হয়।

এমতাবস্থায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে দায়ের হওয়া মিথ্যে মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে হাসেম।

জেআই