ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ সমাবেশে বাধা দিয়েছে পুলিশ। প্রেস ক্লাব এলাকা থেকে বিভিন্ন বাম সংগঠনের ৭ নেতাকর্মীকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
পূর্ব থেকেই ঘোষিত ছিলো শনিবার বিকালে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও বামপন্থী চার সংগঠনের পৃথক বিক্ষোভের। আর এ বিক্ষোভ দমনে প্রায় দুই শতাধিক পুলিশ প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা ও তোপখানা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছে।
আটকেরা হলেন—বাসদ নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ঢাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেত্রী তমা রায়, বদরুন্নেসা কলেজের সায়মা, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের আহমদ মহিউদ্দীন, দীপা, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার জাফর আহমেদ ও জাকির সুমন।
তিস্তা নদীসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, রামপালের বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে শনিবার বিকালে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় সাতটি বাম দলের জোট গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা এবং জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা, জাতীয় গণফ্রন্ট ও জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমোর্চা।
দুটি জলকামান, একটি রায়ট ও বেশ কয়েকটি প্রিজন ভ্যান দুই শতাধিক পুলিশ প্রেস ক্লাব ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। বাম মোর্চার তোপখানা রোডের কার্যালয়ও ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।
রমনা জোনের উপকমিশনার শিবলী নোমান বলেন, ‘বামদলগুলো ঝামেলা সৃষ্টি করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য সতর্ক অবস্থান নিয়েছি। মোদির সফর নিরাপদ ও জানমালের নিরাপত্তায় আমরা সতর্ক আছি।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই শাহাবুল বলেন, ‘এখান থেকে সাতজনকে আটক করেছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘সরকারের পেটোয়াবাহিনী জনগণের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আমরা প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছি। কিন্তু পেটোয়া পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’
এমকে





