চাঁদা আদায় করতে গিয়ে গোলাম হাফিজ লিখন (৪০) নামে এক যুবলীগ কর্মী খুন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বগুড়ার চকলোকমান এলাকায় করতোয়া নদীর তীর থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী আতাউর রহমান মিলু ও তার ভগ্নিপতি যুবলীগ কর্মী লিখন বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে চকলোকমান খন্দকার পাড়ায় চাঁদা আদায় করতে যায়। এসময় এলাকাবাসী তাদের আটক করে।
সেখান থেকে লিখন পালিয়ে গেলেও মিলুকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে লোকজন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত মটরসাইকেলটিতে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুদ্ধরা।
পরে রাত ৮টার দিকে এলাকার ২-৩শ মানুষ মিলুর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সময় লিখনের স্ত্রী হাসিনা হাফিজ হিরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা তার স্বামীকে ধরে নিয়ে গেছে।
এরপর থেকেই পুলিশ ও তার আত্মীয়স্বজন বিভিন্নস্থানে খোজাখুজি শুরু করে। অবশেষে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে পুলিশ চকলোকমান এলাকার করতোয়া নদীর তীর থেকে লিখনের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের মাথায় ও শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান মিলুর বিরুদ্ধে এলাকায় অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে মিলু রিভলবারসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।
ঢাকা, ২৫ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





