বাংলাদেশের উন্নয়ন ভারতের জন্যও গর্বের। এ মন্তব্য খোদ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
ঢাকা সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিন রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেওয়া বিশেষ বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আমরা তোমাদের সাথে আছি; তোমাদের সাথে নিয়ে চলবো। সারা বিশ্বে জমি নিয়ে যুদ্ধ হয়েছে। অথচ সেই জমি আমাদের (বাংলাদেশ ও ভারত) মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে।
মোদি বলেন, পাকিস্তানি হানাদারদের অত্যাচারের খবরে নিজের শরীরের রক্ত গরম হয়ে যেতো।
মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্মৃতি স্মরণ করে মোদি বলেন, আমি যুবক ছিলাম, সে সময় খবরের কাগজে পড়তাম বাংলাদেশের লড়াই, অত্যাচার সম্পর্কে।
আপনাদের যেমন রক্ত গরম হয়ে যায়, আমারও যেত। জীবনে প্রথমবার গ্রাম ছেড়ে তাই দিল্লিতে চলে আসার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। সত্যাগ্রহে অংশ নিয়েছি। তারপর দীর্ঘদিন রাজনীতি করিনি।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আবেগপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মোদি।
মোদি আরো বলেন, বার বার রাজনৈতিক সঙ্কট এলেও বাংলাদেশ সবসময়ই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।বিশ্বে সমৃদ্ধ দেশ নিয়ে অনেক কথা হয়, কিন্তু গরীব দেশ নিয়ে আলোচনা হয় না।
বাংলাদেশে বার বার রাজনৈতিক সংকট এসেছে। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়াও সংকট এসেছে, আর বাংলাদেশ মোকাবেলা করে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আবেগপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ বক্তৃতা অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য নরেন্দ্র মোদিকে মঞ্চে নিয়ে যান। তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন ঢাবি উপাচার্য।
বক্তৃতা শেষে সরাসরি বিমানবন্দরে যাবেন তিনি। বিমানবন্দর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় দিল্লির উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন নরেন্দ্র মোদি।
এসএইচ





