ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌ-রুটের সড়ক মেঘনা নদীতে ভেঙে যাওয়ায় ১৫ দিনেও চালু হয়নি ফেরি চলাচল।

এতে করে ভোলার সঙ্গে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও শ্রমিকরা। লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিটিএ) অফিস সূত্রে জানা যায়, ২৫ জুলাই মেঘনা ভাঙনের ফলে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ইলিশা ফেরিঘাট সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে করে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান সড়কটি পরিদর্শন করে সাত দিনের মধ্যে অন্যস্থানে পন্টুন সরিয়ে পুনরায় ফেরি চলাচলের আশ্বাস দেন। তবে ১৫ দিনেও চালু হয়নি ফেরি চলাচল।

ব্যবসায়ী মোহাম্মদ দানেজ আশরাফ বলেন, ‘ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটের মাধ্যমে দেশের যেকোনো স্থান থেকে কাঁচামাল আনা যেত। কিন্তু এখন বরিশাল হয়ে আসায় অনেক পণ্যে পচন ধরে লোকসান গুনতে হয়। এ ছাড়া যেখানে আগে ভাড়া লাগত ৭/৮ হাজার টাকা, এখন সেখানে লাগচ্ছে ১৮/২০ হাজার টাকা লাগছে।’

পরিবহন শ্রমিক আলমগীর মিয়া বলেন, ‘আগে চট্টগ্রাম যেতে একটি ফেরি ভাড়া গুনতে হতো। এখন বরিশাল দিয়ে যেতে হয় বলে দুটি ফেরিতে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অনেক পরিবহন মালিক খরচের কারণে পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।’

যাত্রী আজমল, হাফিজ, বাচ্চু জানান, চট্টগ্রাম যেতে উত্তাল মেঘনায় ট্রলার কিংবা ছোট লঞ্চ দিয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু ফেরি চালু থাকলে নিরাপদে যাওয়া যেত।

বরিশাল বিআইডব্লিটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ কবির জানান, ইলিশা ঘাটের পন্টুন নতুন ঘাটে স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এ রুটে ফেরি চলাচল করতে পারবে।

এএইচ