হবিগঞ্জের সাতছড়ির জাতীয় উদ্যান থেকে ৩টি মেশিনগান, ৪টি স্পেয়ার ব্যারেল, ৮টি বাক্স ম্যাগজিন,১টি রেডিও সেট(ভিএইচএফ)উদ্ধার করেছে র্যাব।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সাতছড়ির পাহাড়ের একটি টিলা থেকে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
র্যাব হেড কোয়ার্টারের লিগাল এন্ড মিডিয়া উইং কমান্ডার মাকসুদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাবের মিডিয়া কর্মকতা রিয়াদ হাসান জানান, আমাদের অভিযান চলমান প্রক্রিয়া। সাতছড়ি ও আশপাশের পাহাড়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩ জুন র্যাব সাতছড়িতে ৭টি বাংকার থেকে রকেট লঞ্চারসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে।
এর মধ্যে ছিল ২২২টি কামান বিধ্বংসি রকেট, ২৪৮টি রকেট চার্জার, ১টি রকেট লঞ্চার, ৪টি ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার মেশিনগান, ৫টি মেশিন গানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, ১২ দশমিক ৭ মিলিমিটারের ১৩শ ৭৬ রাউন্ড বুলেট, ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটারের ১২ হাজার ৩০০ রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ। ৪ জুন ও আরও অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়।
টানা ১৯ দিন অভিযানের পর ১৯ জুন রাতে অভিযানস্থল থেকে র্যাব সদস্যরা চলে যান। তখন তারা জানিয়েছিলেন, অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট পুনরায় র্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযানে নামেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় আবার অস্ত্র ও গোরাবারুদ উদ্ধারে করে র্যাব। ওই দিন দুপুর ১টায় র্যাব শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়। এখানে বলা হয় র্যাব সাতছড়ি থেকে বিপুল পরিমা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।
এরমধ্যে রয়েছে ৯টি এসএমজি, ১টি এসএমসি, ১টি বেটাগান, ১টি ৭.৬২ মিলিমিটারের অটো রাইফেল, ৬টি এসএলআর, ২টি এলএমজি, ১টি স্নাইপার টেলিস্কোপ সাইড এবং ২ হাজার ৪শ।
এর ১৭ সেপ্টেম্বর র্যাব অভিযান চালিয়ে ত্রিপুরা পল্লীর অজিত দেব বর্মার বাড়ির পেছনে একটি গোয়াল ঘরের নিচ থেকে বাংকার খনন করে ১৫ বস্তা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১১২টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কামান বিধ্বংসি রকেট গোলা, ৪৮টি চার্জার।
জেইউ/এসএইচ





