সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীনসহ তিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার বিকেলে দুদক সমন্বিত সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবব্রত মণ্ডল স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নোটিশ দেন।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ছাড়াও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে। দুদক সিলেটের সহকারী পরিচালক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক জানায়, সম্প্রতি একজনের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার বরাবর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এতে তাদের সম্পদের হিসাব আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে দুদকের সিলেট কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য বলা হয়। নোটিশে শুধু তাদের সম্পদের হিসাবের পরিপূর্ণ বিবরণ দাখিল করতে বলা হয়।
দুদক সূত্র আরও জানায়, সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকার এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট চারটি বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে বেনামে কয়েকটি ফ্ল্যাট ক্রয়, এলআর ফান্ডের টাকা লুটপাট এবং দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে জলমহাল, বালুমহাল, পাথর কোয়ারি, হাট ইজারা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া জেলা প্রশাসক ও এনডিসির বিরুদ্ধে সিলেট সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত টাকা লুটপাটের অভিযোগ করা হয়। জেলা প্রশাসকের এসব দুর্নীতির কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সহযোগিতা করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
দুদক জানায়, এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে দুদক। বর্তমান জেলা প্রশাসকের সিলেটের আগের কর্মস্থল ও নেত্রকোনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক দায়িত্বের প্রাথমিক তদন্ত শেষে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়।
১৮ ডিসেম্বর তিন কর্মকর্তার কাছ থেকে সম্পদের হিসাব পেলে এটি নিয়ে সরেজমিনে যাছাই-বাছাই করা হবে। এর মধ্যে কোনো গরমিল পেলে অথবা দাখিল করা সম্পদের উৎস সম্পর্কে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গেলে দুদক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
এমএনজে





