১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার একটি ছোট্টগ্রাম ধুবালীয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন ভাষা মতিন। তার বাবা আব্দুল জলিল ছিলেন কৃষক। মা আমিনা ছিলেন গৃহিণী।
মা-বাবার কাছেই সর্ব প্রথম বর্ণমালার হাতেখড়ি নেন আব্দুল মতিন। তিনি ১৯৩২ সালে শিশু শ্রেণিতে দার্জিলিং-এর বাংলামিডিয়াম স্কুল মহারানী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তিহন। ১৯৪৩ সালে তিনি এনট্রান্স পাস করেন। ওই বছরই তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজে আইএ ভর্তিহন। ২ বছরপর ১৯৪৫ সালে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণহন।
১৯৪৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর অবআর্টসে (পাশকোর্স) এ ভর্তিহন। ১৯৪৭ সালে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ করেন এবং পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স করেন।
ইতিহাসের পাতা থেকে জানাযায়, ১৯৫২ সালে ভাষা সৈনিক আব্দুলমতিন ‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’ দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের নেতৃত্বদেন।
আব্দুল মতিনের লেখা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ গুলো হচ্ছে, ‘ইউরোপের দেশেদেশে’ (১৯৬০), ‘কাস্তে’ (১৯৮৭), ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রবাসী বাঙালি’ (১৯৮৯), ‘প্রবাসীর দৃষ্টিতে বাংলাদেশ’ (১৯৯১), ‘শামসুদ্দিন আবুল কালাম ও তার পত্রাবলী’ (১৯৯৮), ‘শেখ হাসিনা: একটি রাজনৈতিক আলেখ্য’ (১৯৯২), আত্মজীবনী গ্রন্থ ‘স্মৃতি চারণ পাঁচ অধ্যায়’ (১৯৯৫), ‘জীবনস্মৃতি : একটি বিশেষ অধ্যায়’ (২০১২), রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ ‘জেনেভায় বঙ্গবন্ধু’ (১৯৮৪), ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: কয়েকটি প্রাসঙ্গিক বিষয়’ (১৯৯৩), ‘খালেদা জিয়ার শাসনকাল : একটি পর্যালোচনা’ (১৯৯৭), ‘বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব: মুক্তিযুদ্ধের পর’ (১৯৯৯), ‘বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব: কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল’ (২০০৮), ‘বিজয় দিবসের পর : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ (২০০৯), ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ ‘রোমের উত্থান ও পতন’ (১৯৯৫), ‘মহানগরী লন্ডন’ (১৯৯৬), ‘ক্লিওপেট্রা’ (২০০০), ‘দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিষ বৃক্ষ’ (২০০১), ‘ভলতেয়ার : একটি অনন্য জীবন কাহিনী’ (২০০২), ‘কামাল আতাতুর্ক : আধুনিক তুরস্কের জনক’ (২০০৩), ‘মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি : যুক্তরাজ্য’ (২০০৫), ‘ইউরোপের কথা ও কাহিনী’ (২০০৫, ২০০৭, ২০০৯)।
কেএ, এমএইচ





