ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। এদিন সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

এ ছাড়া রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড, লাইটপোস্ট, স্থান ও সড়ক জাতীয় পতাকা, রঙিন পতাকা এবং ‘কালিমা তাইয়্যিবা’ লেখা ব্যানারে সাজানো হবে।

দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ নিজ নিজ এলাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টক শো প্রচার করা হবে। একই সঙ্গে কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আরবিতে খুতবা লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

এ ছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ প্রান্তে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলা এবং একটি স্মরণিকা বা ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম এবং ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা নিয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, কবিতা, সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিশুদের জন্য হামদ-নাত, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াক্‌ফ প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিসসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও বিশেষ কর্মসূচি থাকবে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সামরিক ও বেসামরিক হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন, আবাসিক শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও প্রবীণ নিবাসে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৩ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনসংক্রান্ত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এস