বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুগারবিট থেকে চিনি উৎপাদন করা হয়। বাংলাদেশের চিনিকল রক্ষায় ও সংকট মোকাবেলায় আখের বিকল্প হিসেবে সুগারবিটের চাষ শুরু হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে সুগারবিট উৎপাদন ও বিস্তারে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আখচাষিদের সুগারবিট উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবসে সুগারবিট থেকে গুড় ও চিনি উৎপাদনের বিভিন্ন কৌশল দেখানো হয়।
সুগার বিট উৎপাদনে সময় লাগে ৫/৬ মাস। পরিণত প্রতিটি সুগারবিট আধা কেজি থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। একর প্রতি উৎপাদন হয় পাঁচ টন।
সুগারবিটে চিনির মাত্রা আখের তুলনায় বেশি থাকে। আখে যেখানে চিনি থাকে ১৪/১৬ শতাংশ সেখানে সুগারবিটে চিনির পরিমাণ প্রায় ২৫ শতাংশ। তাছাড়া, আখ চাষে সময় লাগে এক বছর, সেখানে সুগারবিট চাষে সময় লাগে ছয় মাস।
শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রে আয়োজিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন-ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ, আখচাষি সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রে তিন বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে সুগারবিটের চাষ করা হয়েছে। গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন তারা।
বক্তারা আরো বলেন, সুগারবিটের চাষ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছ থেকে সুগারবিট সংগ্রহ করে ঠাকুরগাঁও চিনিকলে উৎপাদন শুরু করা হবে।
জেআই





