আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ এবং কসড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণের অর্থ নয়ছয় করা যাবে না। সবাইকে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।

আজ রোববার (৩১ মে) সকালে ওবায়দুল কাদের সংসদ ভবনস্থ বাসভবন থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা জানান।

করোনাকালীন গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রস্তাবিত ভাড়া কমিয়ে মন্ত্রণালয় একটি যুক্তিসঙ্গত হার নির্ধারণ করেছে এবং তা আজই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সংকট কাটিয়ে উঠা সম্ভব।উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে গেলে জীবনের কাজও থেমে যাবে। কাজ করতে হবে নব উদ্যমে,নতুন বাস্তবতায়,পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ সবাইকে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের অর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব ৮০ ভাগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের জনগণের জন্য ৮০ শতাংশ ভাড়া সমন্বয় বাড়তি চাপ তৈরি করবে। সরকারকে যেমন যাত্রীদের স্বার্থ দেখতে হবে, তেমনি পরিবহন খাতকেও সহযোগিতা করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে জনগণের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার প্রস্তাবিত ভাড়ার হার কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে সমন্বয় করতে যাচ্ছে। মন্ত্রী জানান, করোনাকালীন বাস-মিনিবাসসমূহকে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে হবে। করোনা সংক্রমণ রোধে অর্ধেক আসন খালি থাকবে।

তিনি যানবাহনে যাত্রী, গাড়িচালক, সহকারী, কাউন্টার কর্মীসহ সকলকে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের অনুরোধ জানান।

ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রী সড়ক বিভাগের এডিপি বাস্তবায়নে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রকল্পসমূহের চলমান কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। উন্নয়ন একটি বহমান প্রক্রিয়া। উন্নয়ন থেমে গেলে জীবনও থেমে যাবে।

মন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের পাশাপাশি যথাসময়ে তাদের বেতনভাতা পরিশোধে প্রকল্প প্রধানদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অধীনস্থ সংস্থাসমূহের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এএস