চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈন উদ্দীন খান বাদলের জাতীয় সংসদ ভবনের ট্যানেলে তার প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

জানাজার পর তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে জাতীয় সংসদ ভবনের ট্যানেলে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার জানাজায় সংসদ সদস্যরা ছাড়াও সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আশপাশের এলাকাবাসী অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ভারতের বেঙ্গালুরুর নারায়ণ হৃদরোগ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মইন উদ্দিন খান বাদল।

দুই বছর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন বাদল। হার্টেও সমস্যা ছিল তার। রুটিন চেকআপের অংশ হিসেবে ১৮ অক্টোবর ভারতে যান বাদল। সেখানে আবারও মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে বেঙ্গালুরুর ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠি ও নিউরো সার্জন ড. বিক্রম সিংয়ের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসায় মাঝে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। হাসপাতালে মৃত্যুর সময় উপস্থিত ছিলেন বাদলের সহধর্মিণী সেলিনা বাদল।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেয়া বাদল বোয়ালখালী উপজেলা জাসদের সভাপতি ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম-৮ আসনের তিন বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা বাদল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাদল সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। জাসদ, বাসদ হয়ে পুনরায় জাসদে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল গঠনেও বাদলের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

এএস