রাজধানীতে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা নিধনে বিশেষ অভিযান আগামী ১০ মের পর থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ১০ মে'র পর যদি কোনো বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় তাহলে বাড়িমালিককে জরিমানা করা হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করবে। এছাড়া দুই সিটি করপোরেশনই মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ওয়াসা ভবনে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এইসব কথা বলেন।
বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক রোয়েনা আজিজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দুই সিটি করপোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “জমে থাকা পানিতে এডিস মশা সহজেই বংশবিস্তার করতে পারে। কাজেই বাসা-বাড়ি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনের ছাদ, বাথরুমের কমোড ও নির্মাণাধীন স্থাপনার বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকলে তা নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার করতে হবে। আর সরকারি ভবনগুলোতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কাজ করবে। বাসা-বাড়ি ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবন বা চত্বরে মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ পরিলক্ষিত হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। ১০ মের পর থেকে অভিযান শুরু হবে।”
এমবি





