কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠছে পশুর হাট। ভারতীয় গরু আমদানি না হওয়ার পাশাপাশি হরতালের কারণে গরুর দাম কিছুটা বেশি বলে দাবি করছেন বেপারিরা। যদিও খামারি আর খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা বলছেন ভালো দামই পাচ্ছেন তারা।

পশুর হাটকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রাজশাহীসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় গরুর হাট বসে সপ্তাহে দু'দিন। কিন্তু কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন প্রতিদিনই বসছে এই হাট। কেনা বেচাও জমজমাট। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু নিয়ে এই হাটে আসছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পাইকারি বেপারিরা বলছেন, অন্যান্যবারের তুলনায় এবার দাম বেশি হাঁকছেন বিক্রেতারা।

ভারতীয় গরু কম থাকলেও এই হাঁটে এবার এসেছে প্রচুর পরিমাণে মহিষ। তবে আমদানি বেশি হওয়ায় মহিষের বাজার মন্দা বলে জানান ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই। এছাড়া গরুর হাটে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির তৎপরতার অভিযোগও তুললেন কেউ কেউ।

এই হাট থেকে গরু যাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই বলছেন ঈদের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যদি অস্থিতিশীল হয় এবং পথে পথে ঘটে চাঁদাবাজির মতো ঘটনা তাহলে বিরূপ প্রভাব পড়বে এ ব্যবসায়। তাই তারা বলছেন গরু পরিবহণের পথগুলোতে যেন নেয়া হয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, পশুর হাটগুলোর সার্বিক নিরাপত্তার পাশাপাশি জাল টাকা শনাক্তেরও বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছেন তারা। এছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধে থাকছে বিশেষ নজরদারি।

র্যা ব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম বলেন, 'চাঁদাবাজির পাশাপাশি জাল টাকার একটা ব্যাপার থাকে। ওগুলো আমরা নজরে এনেছি। প্রতিটি গরুর হাটে বিক্রির স্থানে যাতে একটি মেশিন থাকে যেটা দিয়ে নোট জাল কিনা এটা বুঝা যায়।'

রাজশাহী মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'যেহেতু আমাদের নজরদারির ব্যবস্থাটা সেই রকম রয়েছে তাই সে রকম ঘটনা আর এখানে ঘটবে না।'

বিশেষ এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঈদের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান র্যািব পুলিশ কর্মকর্তারা।

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই