একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, মামলা, গ্রেফতার’সহ সব ধরনের হয়রানির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা।

আজ (০৪ জানুয়ারি) শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটির মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এই আহ্বান জানান।

রাভিনা শামদাসানি বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বিষয়ে আমরা অবগত আছি। নির্বাচনের দিন বেশকিছু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে বিরোধীপক্ষের ওপর প্রতিহিংসা, হামলা, খারাপ আচরণ, গণগ্রেফতার, হয়রানি, গুম এবং ফৌজদারি মামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং হুমকি প্রদানের খবরও পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে রাভিনা আরও বলেন, “এছাড়া, সাংবাদিকদের ভয়-ভীতি প্রদানসহ আক্রমণ, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সংবাদের কারণে সর্বশেষ দুই সাংবাদিককে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

“১০ ডিসেম্বর থেকে কমপক্ষে সংবাদ সংশ্লিষ্টসহ অন্যান্য ৫৪টি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের মতো ঘটনা ঘটেছে।”

তিনি আরও বলেন, আমরা অবিলম্বে এসব অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় উপেক্ষা করে কার্যকর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে বলবো, এইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাতে বিধি মোতাবেক তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেদিকে যেন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

এছাড়া, বিবৃতিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। 

এমবি