চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আবুল কালামকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে কুপিয়ে আহত করার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানেই রাত পৌনে ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির রাতের ডিউটি অফিসার এএসআই আলাউদ্দিন এই খবর নিশ্চিত করেন।

আবুল কালাম মুরাদপুরের দেলিপাড়া এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুরাদপুর ইউনিয়নের দেলিপাড়া আরিফের দোকানের সামনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মফিজ লোকজন নিয়ে আবুল কালামের ওপর হামলা চালায়। ওই সময় তারা আবুল কালামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে রাস্তায় ফেলে রাখে। এ সময় স্থানীয়রা আবুল কালামকে হাসপাতাল নেয়ার চেষ্টা করলে তাতেও সন্ত্রাসীরা বাধা  দেয়।

পরে খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক আহত অবস্থায় আবুল কালামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। একই সঙ্গে হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে ৬ নারী-পুরুষকে আটক করে।

এএসআই আলাউদ্দিন বলেন, সীতাকুণ্ড থেকে আবুল কালাম নামের এক যুবককে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে আসে। রাত পৌনে ১টার দিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

সীতাকুণ্ড সার্কেলের এএসপি শম্পা রানী সাহা বলেন, খবর পেয়েই পুলিশ গিয়ে আহত আবুল কালামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ৪ নম্বর মুরাদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি নুরউদ্দীন সজীবকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।

এমবি