গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হয়েছে প্রবীণ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও শিল্প সমালোচক সাদেক খানের মরদেহ।
আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১০টার পর তার মরদেহ জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়। এখানে বেশ কিছু সময় রাখা হবে প্রবীণ এ সাংবাদিকের মরদেহ। এসময় তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতা।
এরপর তার সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনদের অংশগ্রহণে নামাজে জানাজা সম্পন্ন হবে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারার বাসায় মারা যান সাদেক খান। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন তিনি। ষাটের দশকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি আবদুল জব্বার খানের ছয় ছেলে-মেয়ের মধ্যে সাদেক খানই ছিলেন সবার বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়।
তার মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সাদেক খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে কোপেনহেগেন থেকে প্রেরিত এক বার্তায় নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সাদেক খান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক, প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সক্রিয় কর্মী, খ্যাতিমান শিল্প সমালোচক, অঙ্গীকারবদ্ধ মানবতাবাদী যিনি কিশোর বয়স থেকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তাঁর সামাজিক কর্তব্য থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। এ ছাড়া শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।
এমই





