বাংলাদেশ সরকারের সাথে এর আগে ভারতের সম্পাদিত তিস্তার পানি চুক্তির খবর না থাকলেও চার দেশীয় সড়ক যোগাযোগের নামে ট্রানজিট ঠিকই নিয়েছে ভারত।
এখন ভারত নিজেদের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে চায়! এজন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সঙ্গে একটি যৌথ কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসিএল)।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে আইওসিএল এর পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব দেয়া হয়। গতকাল সোমবার ১০ সদস্যের একটি ভারতীয় প্রতিনিধি নসরুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকে করেন। এতে আইওসিএল ছাড়াও ভারতের আরও দুই সরকারি কোম্পানি নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডের (ইআইএল) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ভারত থেকে পাইপলাইনে তেল আমাদানির বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্র জানায়, আইওসিএল চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করে ভারতে সরবরাহ করতে চায়। এজন্য বিপিসির সঙ্গে যৌথ কোম্পানি গঠনে আগ্রহী কোম্পানিটি। প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে আইওসিএল’কে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়ার আহ্বান জানান। আইওসিএল জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় তারা দু-এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে। জানা যায়, আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
তেল আমদানির জন্য আসামের শিলিগুড়ি থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করতে হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয় ১৩০ কিলোমিটার পাইপলাইনের মধ্যে বাংলাদেশ কতটা আর ভারত কতটা নির্মাণ করবে সে বিষয়টি সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত। প্রকল্পর অর্থায়ন নিয়েও আলোচনা হয়।
পাইপলাইন স্থাপনে সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ হয়েছে দুই হাজার কোটি রুপি। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারির (ইআরএল) ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে পরামর্শক হিসেবে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানা গেছে।
এমএ





