কাপ্তাইয়ে অষ্টম শ্রেীণর এক উপজাতীয় স্কুল ছাত্রীকে গলাকেটে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে কাপ্তাই উপজেলা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন করে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ এবং মানববন্ধন করে। অবিলম্বে স্কুলছাত্রীদের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে একাধিক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় কাপ্তাই উপজেলা সদর বরইছড়িতে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হলেও উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন করে উপজেলা সদর বরইছড়িতে বিক্ষোভ সমাবেশে সমবেত হয়।
মারমা স্টুডেন্ট কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপজেলার চিৎমরম, ওয়াগ্গা, চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাইখালী প্রভৃতি এলাকা থেকে স্কুলের ছাত্রছাত্রী ছাড়াও, বিভিন্ন সামাজিক সংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার সাধারণ মানুষ এতে অংশ নিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
স্কুল ছাত্রী উম্রাচিং মারমা প্রকাশ ছবি মারমার খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংশুছাইন চৌধুরী, ওয়াগ্গা ইউপি চেয়ারম্যান অংলাচিং মারমা, অ্যাডভোকেট হ্লা থোয়াই মারমা, হেডম্যান থোয়াই অং মারমা, মারমা স্টুডেন্ড কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় নেতা সানুমং মারমা প্রমুখ।
বক্তারা অবিলম্বে ছবি মারমার খুনিদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে বলেন, খুনিরা গ্রেফতার না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং সমগ্র পার্বত্যাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।
সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই উপজেলার ব্যাঙছড়ি এলাকায় জেএসসি পরীক্ষার্থী উম্রাচিং মারমা প্রকাশ ছবি মারমাকে (১৪) গলা কেটে হত্যা করা হয়। ব্যাঙছড়ি এলাকায় বন বিভাগের দুই নম্বর টাওয়ারের কাছে জঙ্গলের ভিতর এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়। কাপ্তাই থানা পুলিশ দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল ছাত্রীর জবাই করা লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে এই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায় খুনি। ময়না তদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এই স্কুল ছাত্রীর মরদেহ সৎকার করা হয়।
জেআই





