রাজধানীর পল্লবী থানার কালসী এলাকা থেকে এক তরুণীসহ অপরাধী চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি খেলনা পিস্তল ও ১০টি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মো. কাইয়ুমুজ্জান খান এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মো. লিয়াকত আলী, মো. কামরুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম ওরফে কামাল, মো. নাজমুল হক দিদার, মো. রুহুল আমিন ওরফে রিপন, ওবায়দুর রহমান বতু ও মেহেরুননেছা কেয়া।
উপ কমিশনার বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা তাদের দলের মেয়ে সদস্যদের দিয়ে প্রথমে বিত্তবান পুরুষদের টার্গেট করে। পরে ওই টার্গেটকৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে কৌশলে কথা বলে তাদের নিরিবিলি স্থানে ডেকে নিয়ে যায়।
মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার সময় পুরুষ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তিদের ধরে বাসায় নিয়ে গিয়ে আটক করে। তারা বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা ও জিনিষ ছিনিয়ে নেয়।
এ ছাড়াও অস্ত্রের মুখে বিবস্ত্র করে মেয়েদের সঙ্গে ছবি তুলে মান সম্মানের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করে। এক পর্যায়ে চোখ বেঁধে অজ্ঞাতস্থানে ছেড়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
কাইয়ুমুজ্জামান খান আরো জানান, বুধবার বিকাল পাঁচটার দিকে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার কল্যাণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর থানার পুলিশ।
এরা হলো মো. কামাল হোসেন, মো. বাদশা, মো. আসমত আলী, মো. রিমন ও মো. সাবু। তাদের কাছ থেকে তিনটি ধারালো অস্ত্র, একটি মিনি পিকাপভ্যান (নম্বর ঢাকা মেট্রো-ণ-১১-৮৬৫০) ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
মিরপুর বিভাগের ডিসি বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে তারা মিরপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
তারা আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। তারা রাজধানী ও বিভিন্ন শহরে ডাকাতি এবং বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলো। মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. পলাশ হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মুনতাসিরুল ইসলাম ও মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্তন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
এমকে





