নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের তিনতেড়ী বাজারে নূরনবী নামের এক যুবলীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দিয়েছে পিয়াস হত্যা মামলার আসামিরা।

একই সাথে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক বার ওই এলাকায় মহড়া দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোনাইমুড়ী উপজেলা যুবলীগের সদস্য নূর নবী অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ১আগস্ট তার বড় ভাই নূরুল ইসলাম বাবুরের ছেলে সোহরাব হোসেন পিয়াস (১৪) নিখোঁজ হয়।

এরপরদিন ২আগস্ট বিকেলে পুলিশ তাদের বাড়ীর পাশের একটি ভিটে বাড়ী থেকে পিয়াসের ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ঘটনায় পিয়াসের বাবা নূরুল ইসলাম বাবুল বাদী হয়ে পাশ্ববর্তী নূর করিমের ছেলে নূর নবীকে প্রধান ও অজ্ঞাত নামার একাধিক আসামী করে সোনাইমুড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোনাপুর ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামের ধনা মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও  বেগমগঞ্জ উপজেলার সিরাজউদ্দিনপুর গ্রামের ছায়েদুল হকের ছেলে সাদ্দামকে আটক করা পর তাদের সাজা হয়।

তিনি আরো জানান, গত কয়েকদিন আগে সাইফুল ও সাদ্দাম হাইকোর্ট থেকে জামিনে এসে বিভিন্ন ভাবে পিয়াসের পরিবারের লোকজন ও তাঁকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে।

এর সূত্র ধরে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সাইফুল, সাদ্দামসহ স্থানীয় জাকির বাহিনীর লোকজন সোনাপুর ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের তিনতেড়ী বাজারে থাকা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মমতাজ ডেকারেটর এসে দোকানের কর্মচারীদের বের করে দিয়ে দোকান ও গোডাউনে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এরপর থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক বার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীরা মহড়া দেয় বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, পিয়াস হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে গত বছরের ২০ডিসেম্বর সন্ত্রাসীরা তার ভাই নূরুল আমিনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে।  

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ উল ইসলাম জানান, নূর নবী নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে তালা দেওয়ার খবর শুনেছি। তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসএইচ