তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি চুক্তির ১৭ বছরেও বাঙালীদের উপর পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের নির্মম অত্যাচার থামছেই না। চাঁদাবাজি, গুম, হত্যা, ও মুক্তিপন আদায়ের ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে।
সোমবার সমঅধিকার আন্দোলনের মহাসচিব মনিরুজ্জামান মনির, কেন্দ্রীয় নেতা মশিউল আলম হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর কামাল, হাজী ইউনুস, সেলিম চৌধুরী ও এম আনোয়ার উল্লাহ এক যুক্ত বিবৃতিতে বাঙালীদের উপর পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের নির্মম অত্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
নেতারা বলেন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল না থাকায় প্রতিদিনই সশস্ত্র উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা বাঙালীদের ঘড়ি, মোবাইল, মানিব্যাগ ছিনতাই করে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি শহরের ঘাগড়ায় বাঙালি কলেজ ছাত্রসহ নিরিহ নাগরিকদেরকে সিএনজি থেকে নামিয়ে দূর্গম পাহাড়ে চোখ বেধে রেখে মুক্তিপন আদায় করে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা। শান্তিচুক্তির টানা ১৭ বছরেও পার্বত্য সন্ত্রাসীরা নিরীহ বাঙালীদের উপর অসহনীয় শ্বেত সন্ত্রাস ও মানবাধিকার লংঘন কওে চলছে। এ বিষয়ে সরকার ও নিরব রয়েছে। শান্তি চুক্তির নামে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা অশান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে সমঅধিকারের নেতারা বলেন, পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের বন্দুক যুদ্ধ বন্ধের জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
নেতারা আরো বলেন, ৩ পার্বত্য জেলায়ই জনসংহতি সমিতি (সাবেক শান্তি বাহিনী), ইউপিডিএফ, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, সদক, গুন্ডুস, বোরকা পার্টি, মুখোশ পার্টিসহ একাধিক খুচরা পার্টিকে চাঁদা দিতে হচ্ছে। ঠিকাদারা কার্যাদেশ পাবার আগেই সন্তুলারমা, প্রসীতখীসা সহ সশস্ত্র উপজাতীয় নেতাদের ক্যাডারদের কাছে খবর চলে যায়। ফলে ২০%-৫০% পর্যন্ত অগ্রীম টাকা না দিলে ঠিকাদাররা কোন উন্নয়ন কাজেই হাত দিতে পারে না।
এসব ঘটনা সরকারী প্রশাসন ও নীরবতা পালন করেন। অথচ পাহাড়ে চাঁদাবাজি একটি ওপেন সিক্রেট।
একে/জেডআই





