সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ হয়ে গেল হোটেল রূপসী বাংলা। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ওই হোটেলের প্রধান ফটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়া হয়।
এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হোটেলে অবস্থানকারী মালয়েশিয়ার একটি অতিথি দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। রূপসী বাংলায় অনুষ্ঠিত মালয়েশিয়ান শিক্ষা মেলায় অংশ নিতে এই দলটি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছিল। তারা তিন দিন রূপসী বাংলায় অবস্থান করেছিলেন।
কার্যক্রম বন্ধ হলেও, হোটেলের কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়নি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র , বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ- বলাকা ও বর্তমান রূপসী বাংলাতে কর্মরত থাকবেন সবাই।
প্রায় ৪৮ বছর আগে, ১৯৬৬ সালে সাড়ে চার একর জমিতে রাজধানীর শাহবাগে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল। পরে পরিচালন অংশীদার বদল হওয়ায় হোটেলের নাম হয় শেরাটন। আবার নাম বদলে তা হয় রূপসী বাংলা।
গেল অর্ধ শতাব্দীতে পাঁচ তারকা হোটেলের সাজ-সজ্জা ও আরাম আয়েশের ধারণায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। আর তাই যুগের সঙ্গে তালমেলাতে নেয়া হয়েছে হোটেলটির সংস্কারের উদ্যোগ। আর তাই আগামী ১৬ মাস বন্ধ থাকবে হোটেলের কার্যক্রম। সংস্কার কাজে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট ও সাধারণ অতিথিকক্ষের মান উন্নয়ন করার পাশাপাশি বাড়ানো হবে ঘরের আয়তনও।
বর্তমানে ২৮ বর্গমিটারের ঘরগুলো সংস্কার কাজের পর বেড়ে দাঁড়াবে ৪০ বর্গমিটারে। আর ২৭২ কক্ষের হোটেল পরিণত হবে ২২৬ কক্ষে।
বিপণন পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, “ইন্টারকন্টিনেন্টাল হচ্ছে নাম্বার ওয়ান ব্রান্ড। আর এটাকে নিতে হলে এর অবকাঠামো এবং সুযোগ সুবিধা সেভাবে করতে হবে।”
১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ইন্টারকন্টিনেন্টাল নামে চালু ছিল হোটেল রূপসী বাংলা। প্রায় ৪৫ বছর পর পুরনো নামে ফিরে যুদ্ধকালীন সময়ের স্মৃতিকে সংরক্ষণ করতে হোটেলে মধ্যে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





