আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট চার প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভোজ্যতেলের নামে আনা কোকেনের নমুনা সংগ্রহ ও জব্দ তালিকা তৈরির কাজ নতুন করে শুরু হয়েছে।
বেলা এগারোটার দিকে এই কাজ শুরু হয়। এর আগে মঙ্গলবার কোকেন আনার ঘটনা তদন্তে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, বন্দর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করার পুন:নির্দেশনা দেয় আদালত।
সোমবার সকালে বন্দরের জেটিতে ঢোকার পরও আলামত সংগ্রহ ও মালামাল জব্দ করতে না পারায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশনা চায়। আদালত ঘটনা তদন্তে সবাইকে একসাথে কাজ করার নির্দেশ দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা একটি কন্টইনারের পণ্য পরীক্ষা করল সেখানে কোকেনের উপস্থতি ধরা পড়ে।
উন্নত পরীক্ষার পর শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর গত ২৭ জুন এই কন্টেইনারের একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্বের কথা জানায়।
ইআর





