সোমবার (২৪ জুলাই) রাত ১২ টা থেকে সারা দেশে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলা বন্ধ থাকবে।

রোববার (২৩ জুলাই) সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফার সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

সমিতির অন্যান্য দাবি-

অ্যাম্বুলেন্স থেকে প্রাইভেটকারের মতো বিআরটিএকে আয়কর (এটিআই) নেওয়া বন্ধ করতে হবে।

অনতিবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

দেশের প্রত্যেকটি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের পার্কিং সুবিধা দিতে হবে।

রোগী থাকা অবস্থায় প্রতিটি পাম্পে সিরিয়াল ছাড়া তেল এবং গ্যাস নিতে ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

সড়কে হয়রানি মুক্ত ও নিবিঘ্নে পথ চলা নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা জানান, অ্যাম্বুলেন্স এমন একটি সেবাখাত, যেটা বাংলাদেশের বিআরটিএ কর্তৃক অবহেলিত। আমরা এই অবহেলা থেকে পরিত্রাণ চাই।

তারা বলেন, আমরা জাপান থেকে অ্যাম্বুলেন্স আমদানি করি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে। বিআরটিএ রেজিস্ট্রেশন করি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবেই। অথচ আয়কর দেওয়ার সময় দিতে হয় প্রাইভেটকার হিসেবে।

বক্তারা আরও বলেন, হাসপাতাল এবং ট্রাস্টি বোর্ডের অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে মাত্র ৫২ টাকা আয়কর নেওয়া হয়। অথচ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অতীতে নেওয়া হতো ৩০ হাজার টাকা। এ বছর থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হবে বলে জানতে পেরেছি।

বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির বক্তারা বলেন, সেবাখাতে একই দেশে ২ ধরনের আইন কি করে হয়, সেটা আমাদের বোধগাম্য নয়।

এন