বাংলাদেশে শিশু চিকিৎসার পথিকৃৎ জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এছাড়াও বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি তারা বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে নিজের প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের মৃত্যু হয়। খ্যাতনামা এই শিশু বিশেষজ্ঞের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তার স্ত্রী মিসেস আনোয়ারা খাতুন আগেই মারা যান। একমাত্র মেয়ে ম্যান্ডি করিম কানাডা প্রবাসী।
শনিবার এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতি চিরদিন ডা. খানের শিশুরোগ চিকিৎসায় অবদানের কথা গভীরভাবে স্মরণ রাখবে। তার মৃত্যুতে জাতি একজন বিখ্যাত শিশুবিশেষজ্ঞকে হারালো। রাষ্ট্রপতি প্রয়াত ডা. খানের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং সেই সঙ্গে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপ-মহাদেশের কিংবদন্তী শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ জাতীয় অধ্যাপক ড. এম আর খানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এক শোক বার্তায় শিশু পরিচর্যার ক্ষেত্রে এবং শিশু রোগ চিকিৎসা শিক্ষায় তার অবদান স্মরণ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এম আর খান স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে ছিলেন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। শোক বার্তায় তিনি বলেন, এম আর খানের মৃত্যুতে জাতি, বিশেষ করে শিশু রোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি হলো। প্রধানমন্ত্রী বার্তায় তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী, শিশু বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের মৃত্যুতে স্পিকার ও সিপিএ চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এক শোকবার্তায় স্পিকার বলেন, অধ্যাপক এম আর খান ছিলেন একজন মানবদরদী, নির্লোভ ও চিকিৎসকদের চিকিৎসক। তিনি আজীবন আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন চিকিৎসা সেবার বাতিঘর। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
তিনি এ মহান ব্যাক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের মৃত্যুতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এবং চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ পৃথকভাবে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জেড





