নোয়াখালীর চাটখিলে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে খোরশেদ বাহিনীর প্রধান ও একাধিক মামলার আসামি খোরশেদ আলম (৪২) নিহত হয়েছেন। এসময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুইটি এলজি ও চারটি চোরা উদ্ধার করেছে।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাল্লা বাজারের হারুন ব্রিকফিল্ড এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খোরশেদ আলম উপজেলার বদলকোর্ট ইউনিয়নের দক্ষিণ বদলকোর্ট গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটখিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছিম উদ্দিন জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ঢাকার নারায়নগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ এলাকা থেকে খোরশেদ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে মঙ্গলবার দিনগত রাতে তার দেয়া তথ্যমতে চাটখিল উপজেলা বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযান চালানো হয়। অভিযানের একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাল্লা রাজারের হারুন ব্রিকফিল্ড এলাকায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা খোরশেদের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা অতর্কিতভাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে।

এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খোরশেদ গুলিবিদ্ধ ও ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় খোরশেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুইটি এলজি ও চারটি চোরা উদ্ধার করা হয়। নিহত খোরশেদের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, নিহত খোরশেদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, অস্ত্র আইন ও ডাকাতিসহ ২৯টি মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ চলতি বছরের গত ২০ মে মঙ্গলবার ভোরে চাটখিল পৌরসভার বদল কোর্ট সড়কের পৌর নতুন শপিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন হাজী বাড়ির সামনে ও পরকোর্ট ইউনিয়নের দশঘরিয়া এলাকায় দুলাল এবং কামাল নামে দুই শ্রমিক হত্যা মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ।

ঢাকা, ২৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর