রাজধানীর উত্তরা আট নম্বর সেক্টরে সরকারি আবাসিক এলাকায় বিআরডিবির পল্লীকানন কলোনীর একটি বহুতল ভবনের নীচতলা ভেঙ্গে তৈরি হচ্ছে অবৈধ মার্কেট।
আবাসিক এলাকা হিসেবে সংরক্ষিত এ সেক্টরটিতে সরকারি আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের ১৪টি কলোনীতে প্রায় দেড় হাজার পরিবারসহ নির্মানাধীণ অবৈধ মার্কেট সংলগ্ন প্রায় পাঁচশতাধিক পরিবারের সুষ্ঠু পরিবেশে বসবাস দুস্কর হয়ে পড়েছে।
সংরক্ষিত এ আবাসিক এলাকাটিতে মার্কেট নির্মান বন্ধে ইতোমধ্যে রাজউক নিষেধাজ্ঞা জারি করে নোটিশ পাঠিয়েছে ।সিটি কর্পোরেশনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মৌখিকভাবে অবৈধ মার্কেট নির্মান থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন ।
অনুমোদিত প্ল্যান-নকসা পরিবর্তন এবং বহুতল ভবনের নীচতলার কাঠামো পরিবর্তন করে সংরক্ষিত সরকারি আবাসিক এ এলাকাটিতে মার্কেট নির্মান বন্ধে রাজউক এর নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা করছে না বিআরডিবির সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিরা ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন , বহুতল ভবনটির নীচতলার অবকাঠামো পরিবর্তনের ফলে ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়া অস্বাভাবিক নয়।রানা প্লাজা কিংবা সম্প্রতি সোনারগা রোডে ভবন বিপর্যয় এর প্রকৃষ্ট উদাহরন।
সিটি কর্পোরেশন অবৈধ মার্কেট নির্মান বন্ধে একাধিকবার তাগিদ দেয়া সত্বেও সংশ্লিষ্টরা কানে তুলছেন না কারো কথাই । অবিরাম চলছে নির্মান কাজ । মার্কেটটি তড়িগড়ি করে উদ্বোধনের জন্য বিআরডিবিরকর্তাব্যক্তিরা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে নেয়ার জন্য চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ।
এ দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ পেয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছেন । বাসিন্দাদের অভিযোগ পল্লীকানন আবাসিক কলোনীর দু‘জন বিতর্কিত ব্যক্তি সংরক্ষিত সরকারি আবাসিক এলাকায় অবৈধ মার্কেট প্রতিষ্ঠার মূল হোতা । অথচ মাত্র এক
এলাকাবাসির অভিযোগ ব্যক্তি স্বার্থের আড়ালে আবাসিক ভবনে অবৈধ মার্কেট করে এলাকার বসবাসের নির্মল পরিবেশ নষ্ট করার অধিকার কারো নেই ।জনস্বার্থে এ ব্যাপারে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন এলাকার মানুষ । (সূত্র: বিডিনিউজ২৪.ইউএস)
কেবি





