নরসিংদীতে খামারে উৎপাদিত মুরগির ডিমের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

গত কয়েক দিনে হালি প্রতি বেড়েছে ৭ থেকে ৮টাকা। বর্তমানে বাজারে পাইকারি হিসেবে এক কুড়ি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। খুচরা দরে একহালি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সিন্ডিকেটকে দায়ী করা হচ্ছে।

নরসিংদী জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাসান ইমাম জানান, জেলার ছয় উপজেলায় বর্তমানে কমবেশী ১৩ শতাধিক ডিমের খামার রয়েছে। এর মধ্যে নিবন্ধিত খামারের সংখ্যা ৮১৯টি এবং অনিবন্ধিত খামারের সংখ্যা ৫শ’। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী এসব খামারে বছরে ২৩ কোটি ৪ লাখ ডিম উৎপাদিত হয়। চাহিদার তুলনায় এই ডিমের সংখ্যা নিতান্তই অপ্রতুল।

বেসরকারী হিসেব মতে নরসিংদী জেলায় ডিমের চাহিদা রয়েছে ৫৭ কোটি ৬০ লাখ। এ ক্ষেত্রে ডিমের ঘাটতি হচ্ছে ৩৪ কোটি ৫৬ লাখ। এই ঘাটতি পুরনের জন্য আশপাশের জেলাগুলো থেকে নরসিংদীতে ডিম আমদানী করা হয়। যার ফলে নরসিংদীতে কোন সময়ই ডিমের সংকট ধরা পড়ে না। বাজারে হঠাৎ ডিমের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

পাইকারি বিক্রেতারা জানান, ঈদের সময় অনেক খামারি রক্ষণাবেক্ষণের ভয়ে ডিমপাড়া মুরগি বিক্রি করে দেয়ায় খামারগুলোতে ডিমের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। যার ফলে বাজারে ডিমের আমদানিও কমে গেছে। এতে করে বাজারে ডিমের সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলেছেন, আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করি। কমদামে কিনতে পারলে কমদামে বিক্রি করবো।

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে একটি সিন্ডিকেট। এরা সময় সময় দাম বাড়ায় আবার কমায়। কখন যে ওরা দাম বাড়ায় আবার কমায় তা বলা খুবই কঠিন। এই সিন্ডিকেটকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ