প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কদিন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন এবারের পয়লা বৈশাখে পান্তার সঙ্গে ইলিশ খাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে পুলিশের বৈশাখী অনুষ্ঠানে রাখা হয়নি পান্তার সঙ্গে ইলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে রমনা পার্কে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে আয়োজন করা হয় ‘বৈশাখে পান্তা’ খাওয়ার অনুষ্ঠান। তাদের খাবারের মেন্যুতে ইলিশ থাকার কথা থাকলেও তা রাখা হয়নি। ইলিশের পরিবর্তে রাখা হয়েছে রুই মাছ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখেই নাকি এ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খাবারের মেন্যুতে পান্তার সঙ্গে আরো ছিল শুটকি মাছের ভর্তা, বেগুন ভর্তা, বেগুন ভাজি, আলু ভর্তা, মরিচ ভর্তা, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ডিম ভাজি, দই ও মিষ্টি।
পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের সঙ্গে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও র্যা বের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল জিয়াউল আহসান পান্তা খাওয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অংশ নেন সাংদিকরাও।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বাতাসা, হাতপাখা ও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে জনগণকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
পান্তা খাওয়া শেষে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু খাবার তালিকা থেকে ইলিশ বাদ দিয়েছেন, তাই পুলিশও এটি বাদ দিয়েই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। আসলে এই সময়ে ইলিশ খাওয়া ঠিক না।
নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পয়লা বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করছে। পুলিশ নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করছে। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে উৎসব পালন করতে পারে এজন্য বিকেল ৫টার মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
এম আর





