'আজ থেকে ঠিক ৪১ বছর আগে এই দিনে পাঁচ বছর বয়সী একটি ছোট্ট ছেলে হারাল তার প্রিয় বাবাকে। যার হাত ধরে সে যেত বাড়ির পাশে আবাহনী মাঠে। যার হাত ধরে ধানমণ্ডির সাত মসজিদ রোডের রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে খুঁজে পেয়েছিল তার প্রথম স্কুল।' বাবাকে স্মরণ করতে গিয়ে এমনই স্মৃতিচারণ করেন নিজের ফেসকুক পেজে সোহেল তাজ।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তাজউদ্দীন আহমদসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। ওই সময় সোহেল তাজের বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর।
'টেলিভিশনের পর্দায় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় পতাকা পরিবেশিত হলে যিনি সব সময় মনে করিয়ে দিতেন দাঁড়িয়ে স্যালুট করে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে। যিনি কোমলভাবে বোঝানোর চেষ্টা করতেন মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের কথা। যিনি এই ছোট্ট ছেলেটিকে একটি আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করার গুরুত্ব শেখানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং অনুপ্রেরণা জোগানোর চেষ্টা করেছিলেন নানা কায়দায়।'
সোহেল তাজ আরও লেখেন, 'এ ছেলেটির জীবনটা হঠাৎ করে পাল্টে গেল একদিন। ছেলেটি দেখতে পেল একটি লাশ, তার বাবার লাশ। লাশটি রাখা হল একটি রুমে। আর সেই লাশ দেখতে এলো হাজার হাজার মানুষ। সে-ও অবাক হয়ে দেখতে লাগল সবার সঙ্গে। পরে সে-ও গেল বনানী কবরস্থানে।'
জেড





