ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিয়মিত বসছে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত শাক-সবজি, ফল-মুলের বাজার। প্রত্যেকে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় উৎপাদিত সবজি এখানে বিক্রি করছেন। এই বাজারের সবজির বিক্রেতা ও উৎপাদক সবাই গৃহীণি ও কৃষাণী। আর তাই স্থানীয়ভাবে বাজারের নাম হয়েছে বিষ মুক্ত সবজির বৌ বাজার।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দুরের গ্রাম পূর্ব-বলরামপুর। এই গ্রামেই খোলা আকাশের নিচে বসছে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজির বাজার। নিজ বাড়ির আঙিনায় উৎপাদিত মেটে আলু, বেগুন, পেপে, মিষ্টি কুমড়া, লাউ সহ বিভিন্ন সবজি ঝুড়ি বা ব্যাগে করে নিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকালে গৃহীনিরা হাজির হন এই বাজারে।
গৃহীনিরা স্ব-প্রনোদিত হয়ে এই বাজার গড়ে তুলেছেন। গত ৪ মাস ধরে নিয়মিক বসছে বাজার। বিষমুক্ত ভাল সবজি পাওয়ায় বৌ বাজারে ভীড় করছেন বিভিন্ন স্থানের ক্রেতারা। বাজারে প্রতি কেজি মেটে আলু ৩০ টাকা, বেগুন ১২ টাকা, পেপে ১০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রকার ভেদে ২০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ২০ টাকা সহ বিভিন্ন দামে এখানে বিভিন্ন সবজি বিক্রি হচ্ছে।
এখানে সম্পুর্ণ বিষ মুক্ত সবজি বিক্রি করে ভাল দাম পাচ্ছেন বলে জানান বাজারের বিক্রেতারা।
সবজি বিক্রেতা সুফিয়া বেগম বলেন , আমরা নিজ বাড়ির আঙিনায় উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে বলে জানান। ক্রেতা বাপ্পারাজ জানালেন ভাল মানের সবজি পাওয়ার কথা।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম বলেন, বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে কৃষি বিভাগ সব সময়ই চাষীদের পরামর্শ দিয়ে থাকি আগামীতে আরো বেশী বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে চাষীদের উৎসাহিত করা হবে।
হাবিব/নাজিব





