রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মীসহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ডায়াগনোস্টিকসমুহের কর্মীদের উপর বিধি নিষেধ জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোখলেছুর রহমান।

দীর্ঘদিন ধরে ওই হাসপাতালে ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের কর্মরত মহিলা কর্মীরা আগত রোগীদের টেনে-হেঁচড়ে নিজেদের ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসতো এবং নানা কৌশলে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে মোটা অর্থ হাতিয়ে নিতো। ফলে রোগী ও তার লোকজন বিব্রত অবস্থায় পড়তো।

এছাড়াও মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ ডাক্তারদের চেম্বার থেকে বের হবার সাথে সাথেই নিজেদের কোম্পানীর ওষুধ লেখা হয়েছে কি না? তা দেখার উদ্দেশ্যে রোগীর হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়েও কাড়াকাড়ি করতো। সবকিছু মিলিয়ে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। ওই জঠিলতা থেকে ফিরে আসতে এবং মৌখিকভাবে সুশীল সমাজের অভিযোগের ভিত্তিতে ডা. মোখলেছুর রহমান গত বৃহস্পতিবার ডায়াগনোস্টিক ও রিপ্রেজেন্টেটিভ কর্মীদের সাথে বৈঠকে বসেন। সেখানে ওই সকল কর্মীদের ছবি তুলে নেয়া হয়। এরপর অফিস চলাকালীন সময়ে হাসপাতাল চত্বরে এদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

পাশাপাশি ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদেরও ওই সময়ে কোন ডাক্তারের চেম্বারে প্রবেশের উপরও বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোখলেছুর রহমান জানান, চিকিৎসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং হয়রানির হাত থেকে রোগী ও সাধারণ মানুষকে রক্ষায় তিনি ওই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এমআইএস