পাবনা সদর উপজেলার হাড়িয়াবাড়ি গ্রামে এক সন্তানের জননী শম্পা খাতুনকে (২৫) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। নিহত শম্পা সদর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে।
নিহতের দাদা আলাউদ্দিন সরদার জানান, পাঁচ বছর আগে সদর উপজেলার মালঞ্চী ইউনিয়নের হাড়িয়াবাড়ি গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে জাহিদ হোসেনের সঙ্গে শম্পার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই শম্পাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল জাহিদ ও তার পরিবারের লোকজন।
সোমবার দিবাগত রাতে জাহিদ ও তার পরিবারের লোকজন শম্পাকে তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেয়। শম্পা তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় সবাই মিলে শম্পাকে বেধড়ক মারধর করে ও পরে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।
আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শম্পার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় স্বামী জাহিদ, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, শম্পাকে শ্বাস রোধ করেই হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
ওএফ





