প্রায় তিনবছর বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার-ঢাকা রুটে সোমবার থেকে আবারো চালু হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট। দুপুর ১টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে ফ্লাইট উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
তিনি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে চালু হওয়া বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইটে কক্সবাজারে আসেন।
এ উপলক্ষ্যে সকালে কক্সবাজার বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে উন্মুুক্ত স্থানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিমানের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম উড়োজাহাজ সংগ্রহ হলেই এই রুটে ফ্লাইট চালু করবো। ইতোমধ্যে দু’টো উড়োজাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আজকে এই রুটে ফ্লাইট চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা আরো আনন্দিত হবো যদি কক্সবাজারে এই ফ্লাইটটি লাভজনকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, আগামী (মে) মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, মে মাসের শুরু হবে বিমানবন্দরের ‘গ্রাউন্ডওয়ার্ক।
আগামী বছর দেশে দশ লাখ বিদেশি পর্যটক আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালকে ‘পর্যটনবর্ষ’ ঘোষণা করেছেন। পর্যটন উন্নয়নের কাজ হিসাবে টেকনাফের ‘সাবরাং-এ এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন’ গড়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া কক্সবাজারের হোটেল শৈবালকে আধুনিকায়ন করা হবে।
মন্ত্রী বিমান ভাড়া সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ বিমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন, পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে আহমদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি প্রমুখ।
জেআই





