কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে ‘হত্যা’র প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের একপক্ষের ডাকা অবরোধের সমর্থনে রোববার সকালে একটি সিএনজি অটোরিকশা ও দুইটি ব্যাটারচালিত রিকশা ভাঙচুর করে অবরোধকারীরা। যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় ‘সাড়াশি অভিযান’ চালাচ্ছে পুলিশ।
রোববার বেলা ১২টায় এই অভিযান শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে এ অভিযান শুরু করে বলে জানা গেছে। অভিযানের বিষয়টি পুলিশ স্বীকার না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোসাদ্দেক মিয়া বলেন, ‘সাড়াশি অভিযান না, আমরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি।’
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।’
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে ‘হত্যা’র সুষ্ঠ তদন্তসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববার সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আন্দোলন নামে ছাত্রলীগের একটি পক্ষ। অনির্দিষ্টকালের অবরোধের প্রথমদিন শাটল ট্রেনের হোস পাইপ কেটে দিয়ে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা।
রোববার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী কোনো শাটল ট্রেনই নগর থেকে ছেড়ে যেতে পারেনি। তবে অবরোধের মধ্যেও বিশ্বিবিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানাগেছে।
এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে অনির্দিষ্টকালের এ অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
মাসুম/নাজিব





