প্রাথমিক থেকে শুরু করে কলেজ শিক্ষা পর্যন্ত জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্ট।একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষকদের যথাযত প্রশিক্ষণ ও তাদের মর্যারদার লক্ষে ২১ দফা দাবি উত্থাপন করেছে সংগঠনটি।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংগঠনের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ কাজী ফিরোজ আহমদ বলেন, শিক্ষা আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল, একটি টেকনিক্যাল স্কুল, একটি সরকারি কলেজ, স্থাপন করা হবে। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বিবেচনা করে জাতীয়করণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কিন্তু আমি বলতে চাই, বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রাথমিক পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হোক।
তিনি বলেন, সম্প্রতি পাঁচ লাখেরও বেশি এমপিওভূক্ত শিক্ষক অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভূক্ত হলেও বছরের পর বছর যোগ্যতা থাকার পরও অপেক্ষমানদের এমপিওর আওতায় আনা হচ্ছে না। এর ফলে প্রত্যাশা পূরণ ও আমাদের অপেক্ষা গতানুগতিক ধারায় পরিণত হয়েছে। যার পরিবর্তন প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা আইন পাশ, শিক্ষা কমিশন গঠন, সিলেবাস অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ শিক্ষকদের নিয়িমিত পদোন্নতি দেয়া, শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন- শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম, কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক, কারিগরি শিক্ষক সমিতির সহসচিব মো. আলী চৌধুরী প্রমুখ।
এমবি





