কুড়িগ্রামে আবারও নদ-নদীর পানি সামান্য বৃদ্ধি পেলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। জেলার রৌমারী, রাজিবপুর এবং চিলমারী উপজেলার চর-দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চলের শতাধিক গ্রাম পানিতে তলিয়ে আছে।

এসব এলাকার ৭০ হাজার মানুষ পাঁচদিন ধরে পানিবন্দি জীবন যাপন করছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। গো-খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে বানভাসিরা। রৌমারী উপজেলার চারটি বিজিবি ক্যাম্প থেকে এখনও পানি নেমে যায়নি। বন্ধ রয়েছে ২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম।

দ্বিতীয় দফা বন্যার পানিতে ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন নিমজ্জিত থাকায় তা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এ অবস্থায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে এসব এলাকার কৃষকরা।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার এবং সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে অপরিবর্তিত রয়েছে তিস্তা নদীর পানি।

জেআই,