রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর করতে হবে। অন্যথায়, হাজারীবাগে গ্যাস, বিদ্যুত ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে কিছু করার থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
মার্চ মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে, রোববার (৬ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে ট্যানারি মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীর নাব্যতা, নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স’র সভাপতি শাজাহান খান বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে হাজারীবাগের ট্যানারি কারখানাগুলো সাভারে স্থানান্তর করতে হবে। যতদ্রুত সম্ভব আপনারা সেখানে চলে যান।
অন্যথায়, পরিবেশ দূষণ রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যানারি মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনাদের যদি অন্য কোনো দাবি-দাওয়া থাকে তাহলে তা শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানাবেন। সে বিষয়ে আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো। এছাড়া কারখানা করার ক্ষেত্রে আপনারা যেন সহজ শর্তে ঋণ পেতে পারেন সে বিষয়েও অর্থমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, সাভারে যদি ট্যানারি শ্রমিকদের আবাসনের কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে আমাদের কাছে বলবেন। আপনারা চাইলে আমার মন্ত্রণালয় থেকে সে ব্যবস্থা করে দেবো। এছাড়া আপনারা যদি চান হাজারীবাগেও পরিবেশবান্ধব আবাসিক এলাকা গড়ে তোলা হবে।
এদিকে অসঙ্গগতির কথা তুলে ধরে, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, বলা হয়ে থাকে মন্ত্রণালয় থেকে আমাদেরকে ২৫০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে আমরা মাত্র ৫০ কোটি টাকা পেয়েছি। অর্থ না দিয়ে আমাদের চাপ দেওয়া হলে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে রানা প্লাজার মতো বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাভার ট্যানারি শিল্পনগরী প্রকল্প পরিচালক আব্দুল কাইয়ূম; বাংলাদেশ ফিনিস লেদার,লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ শাহীন।
এমআইএস।





