বাংলাদেশে শকুনের সংখ্যা অতি দ্রুত কমে যাচ্ছে। শকুনের এই মহাপ্রলয়ের প্রধান কারণ, পশু চিকিৎসায় ব্যথা নাশক ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম ও কিটোপ্রোফেন এর ব্যবহার বলে জানান বনসংরক্ষক ড. তপন কুমার দে।
জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বন অধিদপ্তর, বনও পরিবেশ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস ২০১৫ উপলক্ষে ‘মরণঘাতি ডাইক্লোফেনাক মুক্ত শকুনের আবাসস্থল নিশ্চিতের’ দাবি শীর্ষক আলোচনা সভায় লিখিত বক্তব্যে বনসংরক্ষক ড. তপন কুমার দে এ সব কথা বলেন।
তপন কুমার বলেন, আমাদের বন ও গ্রাম অঞ্চলের বড় গাছ নিধণের ফলে শকুনের বাসস্থানের প্রতিকুলতার সৃষ্টি হয়েছে। গণসচেতনতার অভাবে ও শকুনকে অমঙ্গল পাখি হিসেবে বিবেচনা করে যথেচ্চ ভাবে শকুন নিধণসহ শকুন সংরক্ষণ কাজে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের অভাব থাকায় শকুন সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, সরকার শকুন সংরক্ষনের জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা দীর্ঘ মেয়াদি করে শকুন সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়া যেতে পারে।
তাছাড়া শকুন আবাসস্থলের স্থানকে আরো নিরাপদ করে শকুন সংরক্ষণের সরকারের প্রতি আহব্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক অজয় কুমার রায়, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, আইইউসিএম বাংলাদেশ এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ প্রমূখ।
এমএ/এআই





