বরিশালের গৌরনদীতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ২দফা হামলা-পাল্টাহামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ পুলিশ সদস্য’সহ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়।  

আজ (২৩ নভেম্বর) শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে গৌরনদী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুরুতর আহত আবস্থায় ছাত্রলীগের ৫ নেতাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পুলিশের ২ সদস্যসহ ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তার ও দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সুজনের সঙ্গে ওই কলেজছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা আরিফ মিয়ার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকবার হামলা-পাল্টাহামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের হিজলতলা এলাকায় কলেজ ছাত্রলীগের নেতা আরিফ মিয়ার সমর্থক মো. নয়ন হাওলাদারকে মারধর করে সুজন সমর্থক রাসেল হাওলাদার। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে দু’গ্রুপের সমর্থকরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড, দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ টহল দিচ্ছে। এই ঘটনায় পুলিশ যুবলীগ নেতা আতিক মিয়া, তার সহোদর ছাত্রলীগ নেতা আরিফ মিয়া, জিহাদ মিয়া, সুজন সমর্থক ফিরোজ শিকদারকে আটক করেছে।

এই সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

এমবি