বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার যে স্বপ্ন দেখছে তা পূরণ হতে দেয়া হবে না। গণমাধ্যমকে সোনার খাঁচায় বন্দী করা হচ্ছে। খাঁচা সোনার হলেও তার মধ্যে প্রাণ নেই।

বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ পৌর কমিউনিটি সেন্টার ২০ দলীয় ঐক্যজোটের যৌথ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে সরকার গণমাধ্যমকে সোনার খাঁচায় বন্দী করে রাখতে চায়।

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায় চৌধুরী, মনির খান, জয়ন্তু কুণ্ডু ও এমএ ওহাব বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ৭২ সালে ক্ষমতায় এসে বাকশাল কায়েম করেছিলো। চারটি সংবাদপত্র ছাড়া সব বন্ধ করে দিয়েছিলো। এই ফ্যাসিস্ট সরকার আবার সেই পথে হাঁটছে। তাই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে গণঅভ্যুত্থান ঘটানো হবে। এতে সরকারের পতন হবে।

বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতায় সংসদে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। সরকার বলছে পৃথিবীর অন্য দেশে অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে রয়েছে। তাই আমাদের দেশেও করা হচ্ছে। কিন্তু যে সব দেশে অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে সে দেশে তো গণতন্ত্র আছে। সে সব দেশের গণতন্ত্র সুরভি ছড়াচ্ছে। আর আমাদের দেশের গণতন্ত্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জিয়াউর রহমান সুযোগ না দিলে আওয়ামী লীগ ফের আত্মপ্রকাশ করতে পারতো না।

সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের নতুন কোন আইন তৈরি করার অধিকার নেই। তারা কোন ধারা-উপধারা সংশোধন করতে পারবেন না। তারা যে আইন করবে সে আইন মানতে জনগণ বাধ্য নয়। আমাদের একটিই লক্ষ্য সরকারের দ্রুত বিদায় দেয়া।
তিনি আরও বলেন, এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখে দলের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিন।

ঢাকা, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই