আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুকে ‘কুলাঙ্গার’ বলায় জিয়া পরিবারের প্রতি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের বিষোদগার করলেন। একই সঙ্গে তারেককে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল হোতা ও দেশের সম্পদ লুন্ঠনকারী তারেক জিয়া আ’লীগকে কুলাঙ্গারের দল এবং শেখ মুজিবের পরিবারকে খুনি বলার প্রতিবাদে’ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটি এর আয়োজন করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কুলাঙ্গার ও জাতীয় বেঈমান খুনি হলেন জেনারেল জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত।

জিয়াউর রহমান হলেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার মূল খলনায়ক। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছিলেন তিনি। যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিতও করেছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে উত্থান ঘটিয়েছিলেন। একই কাজ করেছিলেন খালেদা জিয়া।

তারেক রহমান আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কেউ যেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, সেজন্য একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী।

বক্তারা বলেন, একজন ফেরারি আসামি দেশের সম্পদ লুন্ঠনকারী, খুনি তারেক বিদেশে পালিয়ে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। জনগণ থেকে বিএনপি বিচ্ছিন্ন হয়ে আবোল-তাবোল প্রলাপ বকছেন। তারেক হলেন খুনির ছেলে। তার বক্তব্য শুনে মনে হয় তার জন্মটাই ঠিক নেই।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল কর্মীকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে থাকার আহবান জানান বক্তারা।

সমাবেশে আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. বলরাম পোদ্দার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক এম এ করিম, কৃষক লীগ নেত্রী হোসনে আরা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে তারেক রহমানের কুশপুতুল পোড়ানো করা হয়।

ঢাকা, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ