গত এক বছরে বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা ২৫ লাশের পরিচয় এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

ফলে লাশগুলোর পরিচয় অজ্ঞাতই থেকে যায়। লাশ গুলোর সঠিক পরিচয় না পাওয়ায় হত্যার সাথে জড়িত অপরাধীরা ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে আইনে আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না তাদের।

আইন ও সালিস কেন্দ্রের রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী মীর মাহাবুব আলী বলেন, উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশের ছবি তুলে তা জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশের মাধ্যমে তাদের পরিচয় বের করার ব্যবস্থা করা হলে লাশের আত্মীয় স্বজনের সন্ধান পাওয়া যাবে। কিন্তু পুলিশ সে কাজটি না করে আরো ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে। লাশের স্বজনরা খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে হাল ছেড়ে দেয়।

ফলে যেমন লাশের পরিচয় অজানা থাকে তেমনি বিচারের অন্তরালে থাকে প্রকৃত অপরাধীরা । সেই সাথে অপরাধের সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে পুলিশ সুপার আঃ রাজ্জাক জানান অজ্ঞাত লাশের ছবি তোলার পর তা পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়।

এ ছাড়া ছবিসহ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং দেশের সব থানায় পাঠানো হয়। এ পদ্ধতিতে লাশের স্বজনের পরিচয় বেড় করা সম্ভব আবার হয়েও থাকে।

জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের পয়লা ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১০ মে পর্যন্ত জেলার আটটি উপজেলার ৩ জন নারীসহ ২৫টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু এ বছরের বেশি সময় পেড়িয়ে গেলেও তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনেরও সঠিক পরিচয় খুঁজে বের করতে পারেনি পুলিশের বিভিন্ন সংস্থাগুলো।

এতে যেমন পরিবার হারিয়েছে তাদের আপনজন সেই সাথে রাষ্ট্রে বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা।

এসএইচ