নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধেই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

শুক্রবার তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে আরো বলেন, বিদেশ থেকে তরল গ্যাস আমদানি করা হবে, তাই ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম আরো বাড়বে।

দাম বাড়ানোর আবেদনের ওপর শুনানির আট মাস পর হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়িয়েছে গ্যাসের দাম।

২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৫০ ডলারের নিচে। এ মুহূর্তে কেন গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হল- সে ব্যাখ্য দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সবাই নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ চাইছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা। সেটা নিশ্চিত করতে গিয়েই তাই দাম বাড়নো হচ্ছে, সামনে আরো বাড়বে।

আগামীতে বাসাবাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের ওপর জোর দেয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন নীতি নির্ধারকরা।

এদিকে, অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে উল্টো কাজটি করেছে। বিদ্যুৎ ও সার কারখানায় ব্যবহারের গ্যাসের দাম বাড়ানোর দরকার ছিল। কিন্তু সরকার বাড়িয়েছে শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকের গ্যাসের দাম। অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা রয়েছে।

এসএইচ