অবশেষে রাজধানীর৩৭ দিলকুশার আলোচিত কারপাকিং ভবনের (সানমুন টাওয়ার) বেইজমেন্টর ৫টি ফ্লোর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনছার আলী খান সাংবাদিকদের বলেন, সানমুন টাওয়ারের ৫ম তলা পর্যন্ত ডিএসসিসির সম্পত্তি। এ ভবনের ৫ম তলা পর্যন্ত অবৈধভাবে দখলে রেখেছিল এম আর ট্রেডিং এর মালিক মামলাবাজ প্রতারক ও ভুমিদস্যু মিজানুর রহমান।

অবৈধভাবে এ ভবনের দখলদারিত্ব বজায় রাখার জন্যই মিজানুর রহমান ‘বর্তমান নামে একটি পত্রিকা অফিস বানান।

তিনি বলেন, ডিএসসিসির নিজস্ব সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ডিএসসিসি নিয়ন্ত্রণে নেয়েছে।

ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নুরুল আমীন বলেন, চুক্তি অনুযায়ী এমআর ট্রেডিংকে ২২ তলা পর্যন্ত নির্মাণের কথা ছিল। কিন্তু এম আর ট্রেডিং ডিএসসিসির অনুমোদন ছাড়াই ৩০ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করেছেন। এছাড়া চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সানমুন টাওয়ারের ৫ তলা পর্যন্ত কার পার্কিং ডিএসসিসির সম্পত্তি। কিন্তু এই ৫তলাও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেয় দখলদার মিজানুর রহমান।

এদিকে ওই প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, ডিএসসিসি আগে নোটিশ জারি না করেই পুলিশের সহযোগিতায় তাদেরকে উচ্ছেদ করেছে।

এছাড়া এ কার পাকিং ভবন নির্মাণের এমআর ট্রেডিংএর সঙ্গে সম্পাদিত অসম চুক্তির মামলায় দুদক সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এবং ৩ কৌশলীর বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে।

এ ভবন নির্মাণে কনসালন্টেড হিসেবে ডিসিসির ৪৪ লাখ টাকা দিয়েছে এমআর ট্রেডিং এর মালিক মিজানুর রহমানকে। এ অভিযোগটি নিয়ে পৃথক তদন্ত চলছে দুদকের।

ঢাকা, একে, ২৩ সেপ্টম্বর. টাইমনিউজবিডি.কম,এসএইচ