অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে দুইদিনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইউএইর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দুবাইয়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সামনের ২৬ ও ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানান, ‘আরব বিশ্বের সঙ্গে চলমান সম্পর্কের মাত্রা আরও বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী ইউএই সফরে যাচ্ছেন। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ইউএই এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অতি সম্প্রতি বৈঠক করেছি। বৈঠকটি খুবই ফলপ্রসু হয়েছে। মূলত প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের যেসব ইস্যুতে সমস্যা চলছে তা সমাধানের পথ খুলবে। বিশেষ করে বিগত কয়েক বছর ধরে ইউএই-তে জনশক্তি রফতানি বন্ধ রয়েছে। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রীর সফরে এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে।’

কূটনীতিক ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কয়েকবছর ধরে ইউএই-তে জনশক্তি রফতানিতে নিষেধ্বাজ্ঞা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইউএই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রম বাজার আবার চালু হলে তা আমাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।’

মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ বিগত ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশী শ্রমিক পর্যায়ের ভিসা বন্ধ রেখেছে। আবার মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশই বাংলাদেশের নাগরিকদের ঢাকা থেকে ভিসা কার্যক্রম সেবা দেয় না। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের ভিসা সেবা ঢাকা থেকে পাওয়া যায় না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ইউএই সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী দশম এশিয়া ও ইউরোপ জোটের বৈঠক আসেমে যোগ দিতে ১৬ অক্টোবর ইতালি সফরে যাবেন।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের নভেম্বরে মালয়েশিয়া ও সার্ক সম্মেলনে যোগদানের জন্য নেপাল সফর করবেন।

জেএ